জরুরি অবস্থায় এখনই ৯৯৯-এ কল করুন
ছিনতাইকারী
← রিপোর্টে ফিরে যান

নিয়ম ও নীতিমালা

আমরা কীভাবেকাজ করি।

কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়, কোনটি হয় না, আর কে সেই সিদ্ধান্ত নেন — পুরোটা এখানে লেখা আছে। নিয়মগুলো পড়ে নিলে রিপোর্ট পাঠানোর সময় কী আশা করবেন তা আগেই জানা থাকবে।

আমরা ঘটনা প্রকাশ করি, ব্যক্তি নয়

এই সাইটের মূল রেকর্ড একটি ঘটনা — কোথায়, কখন, কী ঘটেছে। কারও নাম, ছবি বা ঠিকানা এমনিতেই প্রকাশ করা হয় না। থানায় দায়ের করা জিডি বা মামলার নম্বর অ্যাডমিন যাচাই করলে তবেই অভিযুক্তের পরিচয় যুক্ত হয়, এবং তখনও স্পষ্টভাবে লেখা থাকে যে আদালতের রায়ের আগে কেউ দোষী নন।

প্রতিটি রিপোর্ট মানুষ পড়ে দেখেন

কোনো রিপোর্ট সরাসরি প্রকাশিত হয় না। মডারেটর ঘটনার বিবরণ পড়েন, ছবি দেখেন, ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, ফোন নম্বর, ঠিকানা) মুছে দেন, তারপর অনুমোদন করেন। প্রতিটি সিদ্ধান্ত — কে করেছে, কখন করেছে, কেন করেছে — স্থায়ীভাবে রেকর্ড করা থাকে।

রিপোর্টারের পরিচয় গোপন

আপনার মোবাইল নম্বর হ্যাশ করে সংরক্ষণ করা হয় — মূল নম্বর আমাদের ডেটাবেজেও থাকে না। এটি শুধু একই ঘটনার একাধিক রিপোর্ট মেলাতে ও ভুয়া রিপোর্ট ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়। ওয়েবসাইটে রিপোর্টারের কোনো তথ্য দেখানো হয় না।

যা আমরা প্রকাশ করি না

  • যাচাই করা মামলা নম্বর ছাড়া কোনো ব্যক্তির নাম বা ছবি
  • ভুক্তভোগী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ পায় এমন ছবি
  • ধর্ম, দল বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে অভিযোগ
  • ব্যক্তিগত শত্রুতা বা ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার অভিযোগ
  • ৩ বছরের বেশি পুরনো ঘটনা

ভুল হলে সংশোধন

কোনো তথ্য ভুল মনে হলে অপসারণ বা সংশোধনের আবেদন করুন। আমরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিই। আবেদন গ্রহণ করা হলে রিপোর্টটি তাৎক্ষণিকভাবে সাইট থেকে সরে যায়।

এটি পুলিশের বিকল্প নয়

জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করুন এবং নিকটস্থ থানায় জিডি করুন। এই সাইট শুধু নাগরিকদের একে অপরকে সতর্ক করার একটি মাধ্যম।
সাপোর্ট